বাংলাদেশ অস্ট্রিয়া সমিতির অনলাইন কোরআন কোর্স শুরু

বাংলাদেশ অস্ট্রিয়া সমিতির ২০২৩ সালের কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক বি এম রুহুল আমিন- এর উপস্থাপনায় এই জুম অনলাইন কোরআন কোর্স শুরু হয়েছে

ব্যুরো চীফ, অস্ট্রিয়াঃ গতকাল রবিবার (১৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ অস্ট্রিয়া সমিতির উদ্যোগে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে আরবি লেখা শিক্ষা ও শুদ্ধভাবে পবিত্র আল কোরআন পড়ার কোর্স শুরু হয়েছে। স্বল্প সময়ে আরবি লেখা শিক্ষা ও সঠিক উচ্চারণ সহ শুদ্ধভাবে পবিত্র আল কোরআন পড়ার এই পদ্ধতিটির উদ্ভাবক বি এম রুহুল আমিন।

তবে তার এই স্বল্প সময়ে আরবি লেখা শিক্ষা স্বল্প সময়ে কোরআন শিক্ষা পদ্ধতির বই প্রকাশনার ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ কমিউনিটির সিনিয়র ইমাম ও তার অগ্রজ ড.ফারুক আল মাদানি। তাছাড়াও আরও সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশের একাধিক বিশিষ্ট আলেম। বর্তমানে
বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক বিভিন্ন মাদ্রাসায় এই পদ্ধতিটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরবি লেখা ও শুদ্ধ উচ্চারণ সহ কোরআন শিক্ষা প্রদান করছেন।

গতকাল অস্ট্রিয়ার স্থানীয় সময় বিকাল ৩ টায় প্রথম দিনের এই জুম অনলাইন ক্লাশের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ অস্ট্রিয়া সমিতির বর্তমান সভাপতি মামুন হাসান। এই অনলাইন জুম কোরআন শিক্ষা কোর্সের টেকনিক্যাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ সম্প্রচারের দায়িত্ব পালন করেন মাসুদুর রহমান মাসুদ। তবে সমিতির সভাপতি মামুন হাসান সকলের সাথে পরামর্শ করে আগামী রবিবার থেকে অনুষ্ঠানটি সকাল সাড়ে এগারটা থেকে শুরুর নতুন সময়ের কথা জানান। তিনি আরও জানান যথা সময়ে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্বল্প সময়ে আরবি লেখা ও কোরআন শিক্ষা কোর্সের শিক্ষক বি এম রুহুল আমিন বলেন যে কেহ তার উদ্ভাবিত এই পদ্ধতির মাধ্যমে ১৪ টি ক্লাশ বা ১৪ দিনেই আরবি লেখা শিক্ষা ও শুদ্ধ উচ্চারণ সহ পবিত্র কোরআন পড়া শিখতে পারবে। প্রথম ক্লাশের প্রথমেই তিনি বলেন আরবি লেখা শিখতে হলে তিনটি চিহ্ন যেমন, একটি সরলরেখা (-),অর্ধ চাদাঁ ( 🌙 ) এবং একটি বিন্দু বা ডট (.)। এই তিনটি চিহ্ন দিয়ে যে কোন আরবি শব্দ লিখা যায়। তিনি এই চিহ্নগুলি দ্বারা আল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাহু এবং সোবহান আল্লাহ লিখে দেখান।

তারপর পড়ার ব্যাপারে তিনি এক অভিনব পদ্ধতির কথা জানান। উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন, যে সমস্ত আরবি বর্ণমালা বাংলায় লিখলে এক অক্ষর সেই আরবি অক্ষরটি পড়ার সময় এক আলিফ টান দিয়ে পড়তে হবে। এক আলিফ টান হল,আপনার হাত মুঠ বন্ধ করে এক আঙ্গুল ধীরে ধীরে বের করতে যে সময় লাগে সে পর্যন্ত এক আলিফ টান। যেমন, বা,তা,ছা ইত্যাদি।

আর যে সমস্ত আরবি বর্ণ বাংলায় লিখলে একাধিক শব্দ লাগে যেমন মী-ম। এই সমস্ত আরবি বর্ণমালায় ৬ আলিফ টান দিয়ে পড়তে হবে। তবে এই নিয়মের কিছুটা ব্যতিক্রম আছে আরবির তিনটি বর্ণমালা। যেমন,আলিফ হামজা ও ইয়া। এরমধ্যে আলিফ ও হামজাকে দ্রুত পড়তে হবে। আর আরবি বর্ণমালা ইয়াকে এক আলিফ টান দিয়ে পড়তে হবে। যদিও এই তিনটি আরবি বর্ণ বাংলায় লিখলে একাধিক শব্দ ব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশ অস্ট্রিয়া সমিতির পক্ষ থেকে প্রতি রবিবার এই স্বল্প সময়ে আরবি লেখা ও শুদ্ধ উচ্চারণ সহ পবিত্র আল কোরআন শিক্ষার ফ্রি কোর্সে অংশগ্রহণ করার জন্য অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ কমিউনিটি সহ বাংলাভাষী বিশ্বের সকল মুসলমানকে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ করেছেন।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »