চরফ্যাশনের ৩ ইউনিয়নে ভোটগ্রহন চলছে, অনিয়মের অভিযোগ ভোটার ও প্রার্থীদের

ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার তিন ইউনিয়নে শান্তিপূর্নি পরিবেশে ভোটগ্রহন চলছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর)  সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারটের উপস্তিতিও বাড়তে থাকে। এই প্রথম বারের মত এ তিনটি ইউনিয়নে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহন হচ্ছে। তবে ভোট দিতে কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।

এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা, সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও টান টান উত্তেজনা  বিরাজ করলেও সকাল পর্যান্ত কোথায় কোন অপ্রতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। জিন্নাগড়, নীলকমল ও আমিনাবাদ এ তিন ইউনিয়নে ২৮ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৫ টি কেন্দ্র অধিক ঝূঁকিপূর্ন।

নীল কমল ইউনিয়নের পশ্চিম চর নুরুল আমিন (লতিফিয়া) আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্র গিয়ে দেখা গেছে, ভেটারদের দীর্ঘ লাইন। সকাল থেকে নারী ও পুরুষ ভোটার লাইনে দাড়িয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। তবে ইভিএম পদ্ধতি ঠিক মত বুজতে না পারায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। ভোট দিতে পরে কেউ কেউ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও কেউ কেউ আবার অভিযোগ করেন।

ভোট দিতে আসা নতুন ভোটার ইতি আক্তার বলেন, এই প্রথম বারের মত ভোট দিতে এসছি, আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে। আরেক ভোটার লাইজু বেগম এবং নাজমা বেগম বলেন, আমরা আমাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে এসছি কিন্তু পথে পথে কিছু যুবক আমাদের হুমকি দিচ্ছে। আমরা সুষ্ট ভোট চাই।

এ কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে গনমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ করে সতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন লিখন বলেন, আমাদের  ভোটারদের বাধা দিচ্ছে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকজন। বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি।

কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার নাজমুল আলম বলেন, ইভিএম পদ্ধতির এ ভোট কার্যক্রম  বিলম্বিত হলেও ভোটারদের আমরা সচরতন করছি। মেশিসে কোন সমস্যা নেই। নির্বাচন সুষ্ঠ হচ্ছে।

তিন ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৩০ প্রার্থী। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১১ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ২৮ জন এবং সদস্য পদে ৯১ জন প্রতিদ্বন্বিতা করছেন।

এদিকে কেন্দ্রগুলো নিচ্ছদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শক্ত অস্থানে রয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা।
এখন পর্যন্ত কোথায় কোন অপ্রতিকর ঘটনা খবর পাইনি।

মনজুর রহমান/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »