ভিয়েনা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু ইন্দোনেশিয়য় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনার আলোচকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন – ভলোদিমির জেলেনস্কি অস্ট্রিয়ার আগামী বাজেট ঘাটতি পেনশন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়তে পারে মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৮০০ কোটি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২
  • ২০ সময় দেখুন

বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গতকাল মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম এ তথ্য জানিয়েছেন। ৭০০ কোটি থেকে এ সংখ্যায় পৌঁছাতে সময় লাগল এক যুগ। একই সময়ে পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে ধীরে কমছে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বিশ্বজুড়ে অভাব, উদ্বাস্তু ও অভিবাসন সংকটের মধ্যে বিশাল জনসংখ্যা অনেকের মধ্যে উদ্বেগের জন্ম দিতে পারে। তবে আতঙ্ক নয়, একে উদযাপনের বিষয় মনে করে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, জনসংখ্যার এই হিসাব মূলত বিশ্বজুড়ে মানুষের দীর্ঘ আয়ু ও স্বাস্থ্যকর জীবনমানের বহিরপ্রকাশ।

সর্বশেষ শত কোটিতে পৌঁছাতে সময় লাগল ১২ বছর। বিষয়টি উল্লেখ করে জাতিসংঘ জানিয়েছে, জনসংখ্যা আরো ১০০ কোটি বাড়তে অর্থাৎ ৯০০ কোটিতে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১৫ বছর। ধীরে ধীরে জনসংখ্যা বাড়ার হার আরো কমতে থাকবে। ৯০০ কোটি থেকে হাজার কোটিতে পৌঁছাতে লাগবে ২১ বছর।

১৯৫০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ১৯৬৩ সালে দাঁড়ায় ২ দশমিক ২৭ শতাংশে। এরপর ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে আসে। ১৯৯০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নেমে আসে ১ দশমিক ৫ শতাংশে। ২০২০ সালে নামে ১ শতাংশের নিচে। জাতিসংঘের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০৪০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দশমিক ৫ শতাংশে নেমে যাবে, আর ২০৮৬ সালের পর হবে শূন্যেরও নিচে। অর্থাৎ এরপর থেকে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।

বিভিন্ন কারণেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে শিশুমৃত্যু হ্রাস, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনার ব্যাপকতা ও কর্মজীবী নারীদের সন্তান কম নেয়া। ৮০০ কোটি জনসংখ্যার মাইলফলক স্পর্শ করার এ ঘটনা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের কারণ কিনা এ আলোচনা এখন প্রাসঙ্গিক। তবে এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু দেখছেন না জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম।

তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, এটি বিশ্বের জন্য আনন্দের খবর। প্রত্যাশিত গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুমৃত্যু কমে আসায় মানুষের মোট সংখ্যা বেড়েছে। এটি নির্বিবাদে প্রশংসনীয়। আমি বুঝতে পারছি, ব্যাপারটি সবাই পছন্দ করছেন না। তবে এটি নিছকই একটি সংখ্যামাত্র। এ নিয়ে ভয়ের কিছু্ই নেই।

এ বিপুল সংখ্যক মানুষ আসলেই গ্রহের জন্য বোঝা কিনা এমন প্রশ্নে নাটালিয়া কানেমের জবাব, সংখ্যা কোনো সমস্যা নয়। মূল সমস্যা সম্পদের সুষম বণ্টনে বলে জানান তিনি।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৮০০ কোটি

আপডেটের সময় ০৯:০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গতকাল মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম এ তথ্য জানিয়েছেন। ৭০০ কোটি থেকে এ সংখ্যায় পৌঁছাতে সময় লাগল এক যুগ। একই সময়ে পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে ধীরে কমছে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বিশ্বজুড়ে অভাব, উদ্বাস্তু ও অভিবাসন সংকটের মধ্যে বিশাল জনসংখ্যা অনেকের মধ্যে উদ্বেগের জন্ম দিতে পারে। তবে আতঙ্ক নয়, একে উদযাপনের বিষয় মনে করে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, জনসংখ্যার এই হিসাব মূলত বিশ্বজুড়ে মানুষের দীর্ঘ আয়ু ও স্বাস্থ্যকর জীবনমানের বহিরপ্রকাশ।

সর্বশেষ শত কোটিতে পৌঁছাতে সময় লাগল ১২ বছর। বিষয়টি উল্লেখ করে জাতিসংঘ জানিয়েছে, জনসংখ্যা আরো ১০০ কোটি বাড়তে অর্থাৎ ৯০০ কোটিতে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১৫ বছর। ধীরে ধীরে জনসংখ্যা বাড়ার হার আরো কমতে থাকবে। ৯০০ কোটি থেকে হাজার কোটিতে পৌঁছাতে লাগবে ২১ বছর।

১৯৫০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ১৯৬৩ সালে দাঁড়ায় ২ দশমিক ২৭ শতাংশে। এরপর ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে আসে। ১৯৯০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নেমে আসে ১ দশমিক ৫ শতাংশে। ২০২০ সালে নামে ১ শতাংশের নিচে। জাতিসংঘের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০৪০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দশমিক ৫ শতাংশে নেমে যাবে, আর ২০৮৬ সালের পর হবে শূন্যেরও নিচে। অর্থাৎ এরপর থেকে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।

বিভিন্ন কারণেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে শিশুমৃত্যু হ্রাস, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনার ব্যাপকতা ও কর্মজীবী নারীদের সন্তান কম নেয়া। ৮০০ কোটি জনসংখ্যার মাইলফলক স্পর্শ করার এ ঘটনা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের কারণ কিনা এ আলোচনা এখন প্রাসঙ্গিক। তবে এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু দেখছেন না জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম।

তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, এটি বিশ্বের জন্য আনন্দের খবর। প্রত্যাশিত গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুমৃত্যু কমে আসায় মানুষের মোট সংখ্যা বেড়েছে। এটি নির্বিবাদে প্রশংসনীয়। আমি বুঝতে পারছি, ব্যাপারটি সবাই পছন্দ করছেন না। তবে এটি নিছকই একটি সংখ্যামাত্র। এ নিয়ে ভয়ের কিছু্ই নেই।

এ বিপুল সংখ্যক মানুষ আসলেই গ্রহের জন্য বোঝা কিনা এমন প্রশ্নে নাটালিয়া কানেমের জবাব, সংখ্যা কোনো সমস্যা নয়। মূল সমস্যা সম্পদের সুষম বণ্টনে বলে জানান তিনি।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস