বরিশাল প্রতিনিধি: বাস ও থ্রি হুইলার চলাচল বন্ধের পাশাপাশি হঠাৎ করে সকাল থেকে বরিশালের অভ্যন্তরীণ সব কটি রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকালে বাস ও থ্রি হুইলার চলাচল বন্ধের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন থ্রি হুইলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, পাঁচ দফা দাবি নিয়ে থ্রি হুইলার চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যতক্ষণ এই দাবি মানা না হবে–কোনো যানবাহন চলাচল করবে না। পাশাপাশি বাস চলাচলও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কারো উসকানিতে নয়, নিজেদের দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমেছেন বলে জানান পরিবহন শ্রমিকরা।
এদিকে, লঞ্চ চলাচল বন্ধের বিষয়ে মালিক সমিতি কিছু না জানালেও শ্রমিকরা জানান, ভোলায় আওলাদ নামক একটি লঞ্চে গতকাল হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে লঞ্চ চলছে না।
নদীবন্দর কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার ভোলা বরিশাল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও সকাল থেকে হঠাৎ করে সব অভ্যন্তরীণ রুটে লঞ্চ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কী কারণে হঠাৎ এমন ঘোষণা–মালিকপক্ষ কিছুই জানায়নি। বলেন, ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চ চলাচল করবে কি না, বিকেলে জানাতে পারব। এছাড়া সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভোলা-বরিশাল নৌরুটে যাত্রীবাহী স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন মালিকরা।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বরিশাল থেকে দেশের সব স্থানে মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল জেলা মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সদস্য মো. ফরিদ বলেন, রাত ১২টার পর থেকে বরিশাল থেকে সব স্থানে মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোনো স্থান থেকে বরিশালে মাইক্রোবাস আসবে না। ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মাইক্রোবাস বন্ধ থাকবে
এদিকে একের পর এক পরিবহন সেক্টরে হঠাৎ ধর্মঘট ডাকায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। পরিবহন বন্ধের বিষযে বিএনপি নেতারা বলেন, শনিবার (৫ নভেম্বর) বরিশালে দলের বিভাগীয় গণসমাবেশের কারণেই বাস, মাইক্রোবাস, লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ করা হয়েছে।
বিএনপির নেতারা বলেন, কোনো কিছুতেই বরিশালের গণসমাবেশে জনস্রোত ঠেকানো যাবে না। প্রয়োজনে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ হেঁটে, সাইকেলে, ট্রলার ও নৌকায় চেপে আসবেন।
ডেস্ক/ইবিটাইমস/এমএইচ