ভিয়েনা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শৈলকুপায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ: বাধা দেওয়ায় যুবকদের মারধরের অভিযোগ টাঙ্গাইলে শহীদ জগলুর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বাংলা হবে আফগান আমরা হবো তালেবান এটা জামায়াতে ইসলামীর স্লোগান – মেজর হাফিজ গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেস সচিব চরফ্যাশনে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে কৃষকদলের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমোহনে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ৩৮ দেশের কূটনীতিকের অংশগ্রহণ করেছেন হবিগঞ্জে তরমুজের নিচে লুকিয়ে পাচারকালে ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ শিবির-জামায়াত নিষিদ্ধের দাবিতে কুশপুতুল দাহ ও জুতা মিছিল

বিদ্যুতে ভর্তুকি ও ক্যাপাসিটি চার্জ চায় না আইএমএফ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৩৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২
  • ৩৬ সময় দেখুন

মোঃ নাসরুল্লাহ, ঢাকাঃ বিদ্যুৎ উৎপাদনে কুইক রেন্টাল ও রেন্টাল কেন্দ্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ। বুধবার (২ নভেম্বর) বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে এক বৈঠকে এসব বিষয়ে তথ্য জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।

বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে বৈঠকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি গ্রহণ এবং ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দুটি বিষয় সামনে নিয়ে আসে।

আইএমএফ এর প্রতিনিধি দল জানতে চায়, ভর্তুকি না নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে লোন নিলে পিডিবির লোকসান হবে কীনা? এসময় পিডিবির চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ পাওয়া জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। তাই সরকারকে কিছুটা দায় নিতে হয়। সেই কারণেই সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে পিডিপিকে ভর্তুকি দেয়।

পিডিবি চেয়ারম্যান প্রতিনিধি দলকে জানান, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে পিডিবিকে ঋণের অর্থ এবং সুদ দুটি পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নিলে তা পরিশোধ করতে হয় না।

সরকার ভর্তুকি বন্ধ করে দিলে পিডিবি কি করবে- আইএমএফ দলের এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, তখন পিডিবি সরকারের নীতি মেনেই কাজ করবে।

আইএমএফ দলের দ্বিতীয় জিজ্ঞাসা ছিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট প্রসঙ্গে। প্রতিনিধি দল জানতে চায় ২০৩০ সালের পর ক্যাপাসিটি পেমেন্ট আর পরিশোধ করতে হবে কিনা? এব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিষয়টি এখনো বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়নি। জানান, বেশ কয়েকটি নতুন বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসছে। এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসলে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট পরিশোধ করার বিধান রয়েছে। তাই এখনই ক্যাপাসিটি পেমেন্টের বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয়।

সম্প্রতি আইএমএফ এর কাছে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এই সহায়তা চাওয়ার পর আইএমএফ অর্থনৈতিক নানা খাতে সংস্কারের কথা বলছে। বিশেষ করে বিভিন্ন খাতের ভর্তুকি কমাতে বলছে প্রতিষ্ঠানটি।

মিশন প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলটি আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে। বাংলাদেশ সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক আলোচনার জন্য এ মিশন ঢাকায় এসেছে।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএন

জনপ্রিয়

শৈলকুপায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ: বাধা দেওয়ায় যুবকদের মারধরের অভিযোগ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিদ্যুতে ভর্তুকি ও ক্যাপাসিটি চার্জ চায় না আইএমএফ

আপডেটের সময় ০৫:৩৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

মোঃ নাসরুল্লাহ, ঢাকাঃ বিদ্যুৎ উৎপাদনে কুইক রেন্টাল ও রেন্টাল কেন্দ্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ। বুধবার (২ নভেম্বর) বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে এক বৈঠকে এসব বিষয়ে তথ্য জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।

বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে বৈঠকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি গ্রহণ এবং ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দুটি বিষয় সামনে নিয়ে আসে।

আইএমএফ এর প্রতিনিধি দল জানতে চায়, ভর্তুকি না নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে লোন নিলে পিডিবির লোকসান হবে কীনা? এসময় পিডিবির চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ পাওয়া জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। তাই সরকারকে কিছুটা দায় নিতে হয়। সেই কারণেই সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে পিডিপিকে ভর্তুকি দেয়।

পিডিবি চেয়ারম্যান প্রতিনিধি দলকে জানান, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে পিডিবিকে ঋণের অর্থ এবং সুদ দুটি পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নিলে তা পরিশোধ করতে হয় না।

সরকার ভর্তুকি বন্ধ করে দিলে পিডিবি কি করবে- আইএমএফ দলের এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, তখন পিডিবি সরকারের নীতি মেনেই কাজ করবে।

আইএমএফ দলের দ্বিতীয় জিজ্ঞাসা ছিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট প্রসঙ্গে। প্রতিনিধি দল জানতে চায় ২০৩০ সালের পর ক্যাপাসিটি পেমেন্ট আর পরিশোধ করতে হবে কিনা? এব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিষয়টি এখনো বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়নি। জানান, বেশ কয়েকটি নতুন বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসছে। এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসলে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট পরিশোধ করার বিধান রয়েছে। তাই এখনই ক্যাপাসিটি পেমেন্টের বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয়।

সম্প্রতি আইএমএফ এর কাছে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এই সহায়তা চাওয়ার পর আইএমএফ অর্থনৈতিক নানা খাতে সংস্কারের কথা বলছে। বিশেষ করে বিভিন্ন খাতের ভর্তুকি কমাতে বলছে প্রতিষ্ঠানটি।

মিশন প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলটি আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে। বাংলাদেশ সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক আলোচনার জন্য এ মিশন ঢাকায় এসেছে।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএন