পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নাজিরপুরে আশ্রাফুল আলম মুন্না (১৭) নামের এক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ নভেম্বর) রাতে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামের নাজমুল হুদা স্বপনের ছেলে। তারা স্বপরিবারে উপজেলার কালিবাড়ি এলাকায় থাকেন। তার পিতা নাজমুল হুদা স্বপন উপজেলা যুবলীগের জেষ্ঠ্য সহসভাপতি। নিহত মুন্না খুলনার সরকারী পলিটেকনিকের প্রথম বর্ষের ছাত্র।
থানা পুলিশের অফিসার ইন চর্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির জানান, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিছনের সড়কের একটি বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই বাসাটি ‘জীবন চন্দ্র’ নামের এক প্রাইভেট শিক্ষকের বাসা। ওই শিক্ষক ওই বাসায় ভাড়া থাকেন।
ওই প্রাইভেট শিক্ষক জানান, ‘ নিহত মুন্না আমার ছাত্র ছিলো। সে প্রায়ই আমার বাসায় আসতো। ওই দিন সকালে আমার বাসায় আসে। এ সময় আমি বাসা থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলাম। সে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে বাসায় থেকে। সারা দিন আমি বাসায় ফিরি নি। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে আমার সন্দেহ হয়। পরে জানালা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থাণীয়দের সহ থানা পুলিশে খবর দেই’।
নিহতের পিতা জানান, তার পুত্র খুলনা পলিটেকনিক কলেজে লেখা-পড়া করে। সে খুলনায় আছে বলে জানি। কখন বাড়িতে আসছে তা জানি না।
তার মরদেহ উদ্ধার করা নাজিরপুর থানা পুলিশের এসআই মো. মাঈনুল হোসেন জানান, ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর তার মৃত্যুর কারন নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এছাড়া একই দিন নিয়াজ মোর্শেদ (২০) নামের এক বেসরকারী বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রের মরদেহ ঢাকার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত নিয়াজ ঢাকার ইষ্ট ওয়েষ্ট বিশ^বিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র ও উপজেলার সদর ইউনয়িনের কাটাবুনিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন হাফিজের ছেলে।
নিহতের চাচা সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মো. সাইফুদ্দিন বাদশা জানান, নিহতকে ওই দিন নিজ বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস