হবিগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জের, সাংবাদিকের উপর হামলা

অক্সিজেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টের জেরে সাংবাদিক সজল’র উপর ত্রাস সৃষ্টি করে সন্ত্রাসী হামলা, ক্যামেরা ছিনতাই, মোবাইল ভাংচুর, অর্থকড়ি লুট 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার বার্তা বিভাগ ইনচার্জ সাংবাদিক এম. সজলু’র উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় হবিগঞ্জ শহরের সদর আধুনিক হাসপাতাল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা ত্রাস সৃষ্টি করে ক্যামেরা ছিনতাই, মোবাইল ভাংচুর ও অর্থকড়ি লুটপাট করে। হামলায় আহত সাংবাদিক এম. সজলুকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,  উল্লেখিত সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন সাংবাদিক এম.সজলু। তিনি সদর আধুনিক হাসপাতাল এলাকায় পৌছামাত্র একাধিক মোটর সাইকেল আরোহী ৪/৫ জনের একদল অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে তার উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা সাংবাদিক সজলুকে এলোপাতারি আঘাত করে তার হাতে থাকা ক্যামেরা ছিনতাই, মোবাইল ভাংচুর ও অর্থকড়ি লুট করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আহত সাংবাদিক সজলুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, একাধিক মোটর সাইকেল আরোহী হামলাকারীরা দলবদ্ধ হয়ে প্রথমে দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী কার্যালয়ে যায় এবং সাংবাদিক সজলুকে খোঁজাখুজি করে। পরে ফিরে আসার পথে তার উপর হামলা চালায়।

হামলায় আহত সাংবাদিক এম. সজলু জানান, গতকাল শনিবার দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকায় “অক্সিজেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টে ভোগান্তির শিকার রোগী” শিরোনামে একটি বস্তুনিষ্ট সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। হামলার সময় সন্ত্রাসীরা আমাকে বলে, “তোর এত বড় সাহস কি করে হয়, তুই অক্সিজেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে নিউজ করলি কেন।” তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অ়ভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাৎক্ষনিক সাংবাদিক নেতৃ্ৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান।

মোতাব্বির হোসেন কাজল/ ইবিটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »