পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নেছারাবাদের কামারকাঠি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বোরখা পড়া ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার নাম কাকলি রানি মিস্ত্রী। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয়রা বিক্ষোভ বের করতে শুরু করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি), উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্বরূপকাঠী পৌর মেয়র ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করবেন বলে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষিকা কাকলির দ্রত বিচার চেয়েছেন প্রশাসনের সামনে। আবার বিষয়টি নিয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন।
ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা শাহিনূর বেগম বলেন, কাকলি ছাত্রীদের সামনে মেয়েদের বোরখা ও আমাদের ধর্মের নবীদের নিয়ে কটুক্তি করেছেন।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মোশারেফ হোসেন বলেন, আমরা ঘটনার খবর পেয়ে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়ে বসি। সেখানে শিক্ষক ছাত্রীদের ডেকে বিষয়টা শুনে প্রাথমিক তদন্তে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আনিত মৌখিক অভিযোগের অনেক সত্যতা মিলে। আমরা তাৎক্ষনিক এলাকার
উত্তেজিত জনতাকে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি।
নেছারাবাদ থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কোন ধর্মই পছন্দ করেনা। কেহ অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইননুযায়ি তার বিরুদ্ধে দ্রত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল বরন হালদার বলেন, শিক্ষিকা নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা আইন অনুযায়ি তার বিচার হবে। এ ব্যপারে উধর্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হচ্ছে।
এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস