ভিয়েনা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ৭০,৬৬০ প্রবাসীর নিবন্ধন বাউল শিল্পী আবুল সরকারের ফাঁসির দাবিতে লালমোহনে বিক্ষোভ লালমোহনে এসটিএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন অস্ট্রিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ জয়লাভ খাল–বিলহীন খিলগাতীতে সাড়ে ৯ কোটি টাকার ব্রিজ নির্মাণ, প্রশ্ন স্থানীয়দের

বিদ্যালয়ের দেয়াল যেন আদর্শলিপি বই !

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ২৬ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: দেয়ালজুড়ে আঁকা বাংলা-ইংরেজি বিভিন্ন বর্ণমালা। আঁকা রয়েছে অঙ্কের সংখ্যাও। হঠাৎ কেউ দেখলে মুহুর্তের জন্য মনে হবে বিদ্যালয়ের দেয়ালই যেন আদর্শলিপির একটি বই। যেখান থেকে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি শিশুরা শিখছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহনে ২১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০টি বিদ্যালয়ে এমন করে আঁকা হয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এতে করে ওইসব বিদ্যালয়গুলোতে যুক্ত হয়েছে আলাদা সৌন্দর্যও।

সরজমিনে দেয়ালে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা আঁকা ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলাজুড়ে সুন্দর করে আঁকা রয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিক ও শিশু শ্রেণির কক্ষে আঁকা হয়েছে পশু-পাখির ছবি। যাতে করে ওই বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা ছবির মাধ্যমে শিখতে পারছে পাঠ্য বইয়ের বর্ণমালা। বিদ্যালয়ের দেয়ালে এমন চিত্রাংকন দেখে নজর কাড়বে যে কারও।

ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা. রোকেয়া বেগম বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য সরকারিভাবে বছরে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, সেখানের কিছু অর্থ দিয়ে দেয়ালে এসব আঁকা হয়েছে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বাহিরেও হাঁটতে-চলতে শিখতে পারছে বিভিন্ন বর্ণ। এসবের জন্য শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করছি।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান মিলন জানান, এসবের জন্য বিদ্যালয়গুলোতে আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। তবুও উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয় তাদের বার্ষিক বরাদ্দের থেকে এ কাজ করেছে। সত্যিই এটি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চমৎকার একটি উদ্যোগ। আশা করছি এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। এছাড়া বৃদ্ধি পাবে উপজেলায় শিক্ষার মান।

ভোলা/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিদ্যালয়ের দেয়াল যেন আদর্শলিপি বই !

আপডেটের সময় ১২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: দেয়ালজুড়ে আঁকা বাংলা-ইংরেজি বিভিন্ন বর্ণমালা। আঁকা রয়েছে অঙ্কের সংখ্যাও। হঠাৎ কেউ দেখলে মুহুর্তের জন্য মনে হবে বিদ্যালয়ের দেয়ালই যেন আদর্শলিপির একটি বই। যেখান থেকে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি শিশুরা শিখছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমোহনে ২১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০টি বিদ্যালয়ে এমন করে আঁকা হয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এতে করে ওইসব বিদ্যালয়গুলোতে যুক্ত হয়েছে আলাদা সৌন্দর্যও।

সরজমিনে দেয়ালে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা আঁকা ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলাজুড়ে সুন্দর করে আঁকা রয়েছে বাংলা-ইরেজি বর্ণমালা আর অঙ্কের সংখ্যা। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিক ও শিশু শ্রেণির কক্ষে আঁকা হয়েছে পশু-পাখির ছবি। যাতে করে ওই বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা ছবির মাধ্যমে শিখতে পারছে পাঠ্য বইয়ের বর্ণমালা। বিদ্যালয়ের দেয়ালে এমন চিত্রাংকন দেখে নজর কাড়বে যে কারও।

ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা. রোকেয়া বেগম বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য সরকারিভাবে বছরে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, সেখানের কিছু অর্থ দিয়ে দেয়ালে এসব আঁকা হয়েছে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বাহিরেও হাঁটতে-চলতে শিখতে পারছে বিভিন্ন বর্ণ। এসবের জন্য শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করছি।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান মিলন জানান, এসবের জন্য বিদ্যালয়গুলোতে আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। তবুও উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয় তাদের বার্ষিক বরাদ্দের থেকে এ কাজ করেছে। সত্যিই এটি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চমৎকার একটি উদ্যোগ। আশা করছি এতে করে বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। এছাড়া বৃদ্ধি পাবে উপজেলায় শিক্ষার মান।

ভোলা/ইবিটাইমস