ভিয়েনা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা শুরু সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন: আনোয়ারুল ইসলাম লালমোহন-তজুমুদ্দিনে কাউকে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে দেয়া হবে না : হাফিজ টাঙ্গাইলে এমন পর্যটনশিল্প গড়ে তুলব, আর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যেতে হবে না : টুকু ঢাকায় স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলার আসামি হবিগঞ্জে গ্রেপ্তার কোম্পানীগঞ্জে ডাকাতির সময় অস্ত্রসহ যুবক আটক সফরকালে ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের আহ্বান এড়িয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া আবুধাবিতে দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এরদোয়ান-সিসি বৈঠক, অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ-জাপান দু’দেশই রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায়

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২
  • ৩৫ সময় দেখুন

ঢাকা: বাংলাদেশ ও জাপান উভয় দেশই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায়। জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার হোন্ডা তারো এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রেসিডেন্ট তানাকা আকিহিতো রবিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় তারা রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে জাপানের সহায়তা চেয়েছেন। জবাবে জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার হোন্ডা তারো বলেন, তাঁরাও রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন চান।
তিনি বলেন, ‘জাপান রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায় এবং তাঁরা (জাপান) এই ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন করছে।’

দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করেছেন তারা।

জাপানের নেতা ও জাইকা প্রেসিডেন্ট নিজস্ব অর্থায়নে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সেতুটি বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতু ও যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু দেশের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলকে দেশের অবশিষ্ট অংশের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের তিনটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, মহেশখালীতে কয়লাচালিত মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল এবং ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, যা বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। জবাবে, জাইকা তিনটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সর্বাত্মক সহায়তার প্রশংসা করে।

জাপানের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তোরণেরও  প্রশংসা করেন। বাংলাদেশি ও জাপানি উভয় নেতৃবৃন্দই ২০১৪ সালে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের বাংলাদেশে সফরের কথা স্মরণ করেন। শেখ হাসিনা শিনজো আবের হত্যাকান্ডের নিন্দা করেন এবং তাঁকে বাংলাদেশের একজন মহান বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করেন।

জাপানের নেতা বলেন, শিনজো আবের বাংলাদেশ সফর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি ব্যাপক অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে জাপান সফর আজকের বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করেছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জাপানের আর্থ-সামাজিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একজন প্রশংসক ছিলেন এবং তিনি একটি কৃষিভিত্তিক দেশকে শিল্পোন্নত দেশে রূপান্তরের জন্য জাপানি মডেলের অনুকরণ করতে চেয়েছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ

জনপ্রিয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা শুরু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বাংলাদেশ-জাপান দু’দেশই রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায়

আপডেটের সময় ০৭:০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২

ঢাকা: বাংলাদেশ ও জাপান উভয় দেশই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায়। জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার হোন্ডা তারো এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রেসিডেন্ট তানাকা আকিহিতো রবিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় তারা রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে জাপানের সহায়তা চেয়েছেন। জবাবে জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার হোন্ডা তারো বলেন, তাঁরাও রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন চান।
তিনি বলেন, ‘জাপান রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায় এবং তাঁরা (জাপান) এই ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন করছে।’

দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করেছেন তারা।

জাপানের নেতা ও জাইকা প্রেসিডেন্ট নিজস্ব অর্থায়নে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সেতুটি বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতু ও যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু দেশের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলকে দেশের অবশিষ্ট অংশের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের তিনটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, মহেশখালীতে কয়লাচালিত মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল এবং ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, যা বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। জবাবে, জাইকা তিনটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সর্বাত্মক সহায়তার প্রশংসা করে।

জাপানের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তোরণেরও  প্রশংসা করেন। বাংলাদেশি ও জাপানি উভয় নেতৃবৃন্দই ২০১৪ সালে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের বাংলাদেশে সফরের কথা স্মরণ করেন। শেখ হাসিনা শিনজো আবের হত্যাকান্ডের নিন্দা করেন এবং তাঁকে বাংলাদেশের একজন মহান বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করেন।

জাপানের নেতা বলেন, শিনজো আবের বাংলাদেশ সফর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি ব্যাপক অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে জাপান সফর আজকের বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করেছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জাপানের আর্থ-সামাজিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একজন প্রশংসক ছিলেন এবং তিনি একটি কৃষিভিত্তিক দেশকে শিল্পোন্নত দেশে রূপান্তরের জন্য জাপানি মডেলের অনুকরণ করতে চেয়েছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ