আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রনেকে আরো সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। রাজধানী কিয়েভে এক সংবাদ সম্মেলনে, প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর তার দেশে প্রথম সফর বলে বর্ণনা করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ গত রবিবার স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ন্যাটো সম্মেলনে যোগদানের পর ইউক্রেনে এক আকস্মিক সফর করেন। সেখানে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের নিকটবর্তী বুচা শহরে, এক গণকবরে শায়িত বেসামরিক মানুষজনের জন্য মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
অ্যালবানিজ বলেন, অত্যাচারের শিকার ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচারের আকাঙ্খাটি অস্ট্রেলিয়াও পোষণ করে। এছাড়াও অ্যালবানিজ ইরপিন সফর করেন। সেটি যুদ্ধবিধ্বস্ত আরেকটি শহর। ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করে সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিয়েভে বলেন, “পরিষ্কারভাবেই দেখা যাচ্ছে যে এখানে এটি একটি আবাসিক ভবন, তার ঠিক পেছনেই আরেকটি, যাতে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এটি যুদ্ধাপরাধ,এটি বিধ্বংসী। এখানে জীবিকা এবং অবশ্যই জীবনের অবসান হয়েছে।”
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সাথে সাক্ষাৎ করে অ্যালবানিজ বলেন, ইউক্রেনকে আরও সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। এর মধ্যে অতিরিক্ত আরও ৩০টিরও বেশি সাঁজোয়া যান এবং ড্রোন রয়েছে। এছাড়া রুশ সরকারের ১৬ জন মন্ত্রী ও ধনকুবেরদের সফরের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। এছাড়াও রুশ স্বর্ণ আমদানিও নিষিদ্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া।
এদিকে ইউক্রেনে নিজেদের দূতাবাস আবারও খোলার কথা বিবেচনা করছে অস্ট্রেলিয়ার সরকার। অ্যালবানিজ পোল্যান্ড থেকে একটি সাঁজোয়া ট্রেনে করে ইউক্রেনে প্রবেশ করেন। ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা তার সাথে ছিল। ইউক্রেনের কয়েক হাজার শরণার্থীকে অস্ট্রেলিয়ায় সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/আরএন