ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ

৩য় পর্ব 

 ড. মোঃ ফজলুর রহমানঃ ২১। প্রসঙ্গক্রমে বলা আবশ্যক যে, মুক্তিপাগল ১০ লক্ষাধিক জনতার সাথে ৭ই মার্চ তৎকালীন রমনা রেসকোর্স ময়দানে সশরীরে উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ শোনার সৌভাগ্য আমার নিজেরও হয়েছিল। সে এক বিচিত্র অনুভূতি। যা ভাষায় বর্ণনা করা অত্যন্ত কঠিন এবং দুরূহ ব্যাপার। সেদিনের সেই অবিস্মরণীয় ভাষণ আমার
স্মৃতিপটে আজও সমুজ্জ্বল এবং দেদীপ্যমান। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার মূর্ত রূপ সেদিন প্রতিটি বাঙালির চোখে-মুখে, চেহারায় এবং আঙ্গিক অভিব্যক্তিতে ফুটে উঠেছিল। এরই পাশাপাশি বিভিন্ন মিছিলে এবং সমাবেশে প্রদত্ত খণ্ড খণ্ড বক্তৃতায় ও বিবৃতিতে বাঙালির স্বাধীনতার দাবি পৃথিবীর সর্বত্র আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছিল। সে এক অসাধারণ এবং অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। যিনি তা সচক্ষে দেখেননি তার নিকট বলে কিংবা ঐ দিনের স্বতঃস্ফূর্ততা বর্ণনা করে তাকে বিশ্বাস করানো খুবই কষ্টসাধ্য। সুতরাং সামগ্রিক বিবেচনায় বাঙালির জীবনে মার্চ মাস একটি মৌলিক পরিবর্তনের শপথে বলীয়ান এবং উদ্দীপ্ত হওয়ার মাস। এই মাস পরাধীনতার নাগপাশ ছিন্ন-ভিন্ন করে দিয়ে শৃঙ্খল মুক্ত হওয়ার মাস। এই মাস
আত্মত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আত্মপ্রত্যয়ী হওয়ার মাস।

২২। দেশপ্রেমিক প্রতিটি বাঙালির কাছে বছরের অন্য যে কোন মাসের তুলনায় মার্চ মাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। আমরা সবাই জানি আগুন ঝড়ানো মার্চ মাস অবাধ্যতার মাস, বিদ্রোহের মাস। এই মাস স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নিমিত্তে অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে উঠার মাস। এরই পাশাপাশি এই মাস হরতাল, অবরোধ এবং অসহযোগ আন্দোলনের মাস। এই মাস শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতিবহ মাসই শুধু নয়। এই মাসেরই ১৭ তারিখ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী। এই মাসেরই ২৫ তারিখ গভীর রাতে হানাদার পাকিস্তানের বর্বর সেনাবাহিনী তাদের নীতি- নৈতিকতা পুরোপুরিভাবে বিসর্জন দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় নির্বিচারে এবং নিষ্ঠুরভাবে জঘন্যতম গণহত্যা শুরু করে। তাই প্রতিটি বাঙালির কাছে এই মাস ইতিহাসের নৃশংসতম, বিভীষিকাময় এবং বর্বরতম গণহত্যার মাস হিসেবে চিহ্নিত এবং বিবেচিত। এহেন নিষ্ঠুরতম এবং পৈশাচিক গণহত্যার নজির বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।

২৩। অত্যন্ত বেদনাদায়ক হলেও সত্য যে, পাকিস্তানের তৎকালীন স্বৈরাচারী এবং অপরিণামদর্শী সামরিক সরকারের নির্দেশে তাদের বর্বর সেনাবাহিনী ২৫শে মার্চ গভীর রাত থেকে অতর্কিতে এবং নির্বিচারে বাঙালি নিধন যজ্ঞ শুরু করে। তাদের এহেন
বর্বরোচিত আক্রমণ এবং নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞের প্রেক্ষিতে ২৫শে মার্চের মধ্যরাত শেষে তথা ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নিজে স্বয়ং আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাই ২৬শে মার্চ আমাদের সুমহান স্বাধীনতা দিবস।
আর ঠিক একারণেই ঘটনাবহুল মার্চ মাস অধিকার হারা বাঙালি জাতির অধিকার ফিরে পাওয়ার মাস তথা আমাদের মহান স্বাধীনতা এবং মুক্তির মাস। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করার কারণে এই মাস বাঙালি জাতির নিকট যেমন কলঙ্কের কালিমায় লিপ্ত গভীর বেদনাবিধুর মাস ঠিক তেমনি এই মাসে আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করার কারণে জাতি হিসেবে এই মাস আমাদের আত্মপ্রকাশের মাস। ১৯৭১ সনের এই মাসে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নেয় লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তরঞ্জিত বাংলাদেশ এবং লাল সবুজ পতাকা।

২৪। দেশবাসী খুব ভালভাবেই জানেন যে, সারা পাকিস্তানে সামরিক আইন বিদ্যমান থাকাবস্থায় সামরিক শাসকদের অধীনে এবং তাদের দ্বারা প্রণীত LFO (Legal Framework Order) – এর আওতায় বিগত ১৯৭০ সনে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কোন লাভ হবেনা বলে বঙ্গবন্ধুকে তখন অনেকেই পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অটল, অনড় এবং অবিচল। তাই তিনি বলেছিলেন- “LFO -এর অধীনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে আমি গণভোট হিসেবে আখ্যায়িত করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব এবং প্রমাণ করে দিব কে এই দেশের নেতা। আর নির্বাচনের পর LFO -কে আমি টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলব।” ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান (এ এ খান) নিয়াজীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিক উপরোক্ত LFO সম্পর্কে তার লেখা Witness to Surrender বইয়ে উল্লেখ করেছেন- “The Legal Framework Order irked Mujib sorely. He was particularly irritated at sectons 25 and 27 which vested powers of authentication of the future
constitution in the President. It implied that Mujib would not be free to implement his 6 (six) points, even if he obtained majority seats in the National Assembly (Parliament) unless his Constitution Bill received the President’s
approval. It is on the issue that Mujib said, I shall tear the LFO in the pieces after the election.” [দ্রঃ Witness to Surrender, Oxford University Press, Karachi, 1977, পৃষ্ঠা নম্বর ১৬-১৭; সূত্রঃ বাংলার ভাগ্যনিয়ন্তা বাঙালিদেরই হতে হবে- তোফায়েল আহমেদ (প্রাক্তন মন্ত্রী), দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৬-০৩-২০২১]।

২৫। পরবর্তীকালে বিভিন্ন ঘটনাবলীর আলোকে প্রমাণিত হয়েছে যে, উপরোল্লিখিত নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও বঙ্গবন্ধু যাতে করে ছয় দফা এবং এগারো দফার আলোকে সংবিধান প্রণয়ন করতে না পারেন, সে জন্য নিতান্তই অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এবং দুরভিসন্ধিমূলকভাবে LFO -তে বিতর্কিত উপরোক্ত ২৫ এবং ২৭ নং অনুচ্ছেদ দুটি সংযোজন করা হয়েছিল। অর্থাৎ LFO -তে সন্নিবেশিত উপরোক্ত দু’টি অনুচ্ছেদই সুদূরপ্রসারী চিন্তাধারার অংশ হিসেবে সন্নিবেশন করা হয়েছিল। এরই পাশাপাশি সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী দল কর্তৃক সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের বাধা এবং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার জন্য LFO ছিল একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা এবং সুচিন্তিত অপপ্রয়াস। অপ্রিয় হলেও সত্য যে, তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের উপরোল্লিখিত ধূর্ত কূটচাল এবং চাতুর্যপূর্ণ কূটবুদ্ধি পরবর্তীকালে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

26। সচেতন দেশবাসী জানেন যে, পাকিস্তানী স্বৈরশাসকদের উপরোক্ত সকল অপচেষ্টা এবং অপতৎপরতাসমূহকে প্রতিহত করে ১৯৭০ সনের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সারা পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এহেন নির্বাচনের পর পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করেন। কিন্তু পাকিস্তান পিপলস্‌ পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভূট্টো পশ্চিম পাকিস্তানে ঐ সময়ে বিদ্যমান অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে বেশি আসনে বিজয়ী হন। এহেন অবস্থায় পাকিস্তানের সামরিক চক্রের সাথে তিনি গোপনে অশুভ আঁতাত করেন এবং অপকৌশল অবলম্বন করেন। তার এহেন আঁতাতের প্রেক্ষিতে তিনি ঘোষণা করেন যে- “গত ২৩ বছর ধরে পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) দেশ শাসনে তাদের ন্যায্য অধিকার পায়নি। তাই আগামী ২৩ বছর ধরে তারা পাকিস্তানের উপর প্রভুত্ব করবে তা হতে পারেনা।”

২৭। পাকিস্তানের সংহতির প্রশ্নে জনাব ভুট্টোর সহিষ্ণু এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিবর্তে তার এহেন অপরাজনীতির অপকৌশল এবং অপপ্ররোচনার প্রেক্ষিতে জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ১লা মার্চ দুপুর ০১-০৫ মিনিটে পাকিস্তান রেডিও থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। উপরোক্ত ভাষণের মাধ্যমে ইতিপূর্বে তারই আহুত ৩রা মার্চের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন তিনি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেন। ইয়াহিয়া খানের এহেন আকস্মিক ঘোষণার মাধ্যমে তার পূর্ব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় প্রচণ্ড ক্ষোভ এবং বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা দেশ ও জাতি। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ঐ দিন ঐ সময়ে ঢাকার পূর্বাণী হোটেলে আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টির সভায় ছয় দফা ভিত্তিক শাসনতন্ত্রের খসড়া প্রণয়নের কাজ চলছিল। ইয়াহিয়া খান কর্তৃক জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণার প্রেক্ষিতে সর্বস্তরের বিক্ষুব্ধ মানুষ হোটেল পূর্বাণীর সামনে এসে সমবেত হন। তারা ঐ সময়ে মুহুর্মুহু স্লোগানে স্লোগানে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে তুলেন।

২৮। পাকিস্তানী স্বৈরশাসকদের বৈষম্যমূলক এবং দমন পীড়ন মূলক অপশাসনে ক্ষুব্ধ এবং বিক্ষুব্ধ বাঙালি জাতির পুঞ্জীভূত বেদনা বক্ষে ধারণ করে হোটেলের সামনে এসে বঙ্গবন্ধু সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। ঐ সময়ে তিনি বলেন- “অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করায় সারা দেশের জনগণ ক্ষুব্ধ। আমি নিজেও মর্মাহত। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান তার ওয়াদা ভঙ্গ করেছেন। আমি সংগ্রাম করেই এ পর্যন্ত এসেছি। সংগ্রাম করেই মুক্তি আনব। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন।” সভা শেষে ঐদিনই তিনি ২রা মার্চ এবং ৩রা মার্চ দেশব্যাপী হরতাল আহবান করেন। এছাড়া আন্দোলনের ব্যাপারে পরবর্তী নির্দেশ ৭ই মার্চ প্রদান করবেন বলে ও তিনি ঐ সময়ে ব্যক্ত করেন। এমতাবস্থায় সারা দেশ বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে। পুরো ঢাকা শহর মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। স্বাধীনতাকামী জনগণ প্রতিবাদী মিছিল এবং স্লোগানে স্লোগানে চারদিক মুখরিত করে তুলে। এসময় তারা ক্ষুব্ধ কণ্ঠে মুহুর্মুহু স্লোগান দেয়- “বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো” ; “তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা- মেঘনা-যমুনা” ; “ভুট্টোর মুখে লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।”

২৯। অধিকার বঞ্চিত এবং স্বাধীনতাকামী বাঙালির এরকম বিভিন্ন ধরনের স্লোগানে স্লোগানে ঢাকার রাজপথ সমূহ উত্তাল এবং উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এহেন অবস্থায় অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং সঙ্গত কারণেই স্বাধীনতার দাবিতে সারা দেশ অগ্নিগর্ভ এবং অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের প্রতিটি পর্যায়েই বাঙালি জাতির সার্বিক মুক্তির জয়গান গেয়েছেন। দেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে আত্মোৎসর্গকারী বঙ্গবন্ধু তাঁর Charishmatic নেতৃত্বের সম্মোহনী শক্তির মাধ্যমে পুরো দেশ এবং জাতিকে একই মোহনায় এনে দাঁড় করিয়েছিলেন। এমতাবস্থায় তাঁর অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তথা দেশের স্বাধীনতার দাবিকে সফলভাবে বাস্তবায়নের স্বপ্নকে তাঁর ঘোষিত কর্মসূচীর মাধ্যমে নির্বিঘ্নে এগিয়ে নেয়ার ঐকান্তিক প্রত্যাশায়
তিনি অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় এবং পরম ধৈর্য সহকারে তাঁরই পূর্ব ঘোষিত দিনটি পর্যন্ত তথা ৭ই মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন।

৩০। বাংলাদেশের জনগণের এহেন বাধ ভাঙ্গা জোয়ার দেখে প্রমাদ গুণতে থাকেন পাকিস্তানের সামরিক সরকার। এমতাবস্থায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঐ সময়ের সামরিক আইন প্রশাসক কারফিউ জারি করেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও ২রা মার্চ হরতাল, মিছিল এবং কারফিউ- এর মধ্যেই ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে প্রথম বারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পরের দিন ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” -এর জনসভায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়। উক্ত ইশতেহারে বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরই পাশাপাশি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি” গানটিকে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উপরন্তু বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে ঐদিন স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা ও উত্তোলন করা হয়।

ড. মোঃ ফজলুর রহমান, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (অবঃ), লেখক ও কলামিস্ট 

(চলবে)

বি /ইবিটাইমস /এম আর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »