৫ম পর্ব
ড. মোঃ ফজলুর রহমান: ৪১। শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তি মাত্রই জানেন, স্বল্প সময়ে কিংবা স্বল্প পরিসরে অথবা কোন একটি বিশেষ দিনের কোন বিশেষ ঘোষণা কিংবা কর্মসূচীর মাধ্যমে কোন নেতা অথবা জননেতা হওয়া যায় না। পৃথিবীর কোন দেশে এবং কোন কালে কারও পক্ষেই তা সম্ভব হয়নি। অনাগত ভবিষ্যতেও তা সম্ভব হবে না। ভারতের মহাত্মা গান্ধী, মহা চীনের মাও সে তুং, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ, তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক -প্রমুখদের কেউই কোন একটি বিশেষ দিনের কর্মকাণ্ড কিংবা বক্তৃতা বিবৃতির কারণে তাঁদের দেশে নেতা হিসেবে পরিগণিত হননি। মিসরের জামাল আব্দুল নাসের, রাশিয়ার মহামতি লেনিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা সহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের অন্য কোন প্রাতঃস্মরণীয় নেতাই এর ব্যতিক্রম নন। উপরোল্লিখিত প্রথিতযশা সকল নেতাই তাদের নিজ নিজ দেশ ও জাতির সার্বিক মুক্তি এবং কল্যাণের জন্য সারা জীবন ধরে আন্দোলন করেছেন এবং অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ট ভোগ করেছেন। বাঙালি জাতির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তাদের থেকে ব্যতিক্রম নহেন।
৪২। উপরোল্লিখিত প্রাতঃস্মরণীয় নেতাদের সবাই তাদের সারা জীবনের ত্যাগ, তিতিক্ষা এবং দেশপ্রেমের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ। এইসব মহামানবদের মধ্যে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবনের বিশাল, ব্যাপক, লড়াকু এবং সংগ্রাম মুখর কর্মকাণ্ড যে কোন ধরনের বিবেচনায় উপরোক্ত প্রথিতযশা কোন একজন নেতার চেয়ে কোনভাবেই কম নয়, বরং অধিকতর উচ্চমানের বটে। সারা জীবন ধরে বিজাতীয় শত্রুর বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই ও সংগ্রাম করে দীর্ঘদিন কারান্তরালে থাকার ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু এবং নেলসন ম্যান্ডেলা সারা বিশ্বের ইতিহাসে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। আবার দীর্ঘস্থায়ী এবং রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রশিক্ষিত বর্বর সেনাবাহিনীকে সম্মুখ যুদ্ধে পরাজিত করে ৯৩ (তিরানব্বই) হাজার সৈন্যের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনার গৌরবময় ইতিহাস সারা বিশ্বে শুধুমাত্র বাঙালি জাতিরই রয়েছে।
৪৩। একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, তেল সমৃদ্ধ মধ্য প্রাচ্যের অনেক দেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশেরই ৯৩ (তিরানব্বই) হাজার সৈন্যই নেই। আবার দীর্ঘমেয়াদী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের পাশাপাশি সুচিন্তিত দিক নির্দেশনা প্রদানের ইতিহাস ও পৃথিবীর অনেক বরেণ্য নেতৃবৃন্দেরই নেই। দীর্ঘদিনের বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং পরবর্তীকালে বিজাতীয় পাকিস্তানী শাসন ও শোষণের ফলে নির্যাতিত, নিস্পেষিত এবং অধিকার বঞ্চিত একটি বিভক্ত এবং অগোছালো জাতিকে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত করার মাধ্যমে সশস্ত্র যুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। তাঁর সারা হৃদয় মন জুড়ে ছিল বাংলাদেশ এবং বাঙালি জাতি। দেশ ও জাতির সামগ্রিক কল্যাণ এবং মঙ্গল কামনায় বঙ্গবন্ধুর মতো এমন কায়মনোবাক্যে নিবেদিতপ্রাণ এবং আত্মোৎসর্গকারী নেতা সারা বিশ্বে খুব কমই রয়েছে।
৪৪। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যারা খোঁজ খবর রাখেন তারা অবশ্যই জানেন, ১৯২০ সনের ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু জন্মগ্রহণ করেন। তারও পরে বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্ন বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সাড়ে তিন বছরের মাথায় দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র সহ স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুদের সরাসরি মদদ এবং পৃষ্ঠপোষকতায় কতিপয় নরপিশাচ ঘাতকদের গুলিতে ১৯৭৫ – এর ১৫ই আগস্ট তিনি সপরিবারে শাহাদাৎ বরণ করেন। তাঁর এহেন ৫৫ বছরের জীবনে এবং সুদীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তৎকালীন অখণ্ড পাকিস্তানের ২৪ বছরের শাসনামলে তিনি অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় তিনি সর্বমোট ১৪ বছর ৯ মাস জেলখানায় কাটিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বরেণ্য নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা ছাড়া এত দীর্ঘ সময় কারাভোগকারী আর কোন রাজনৈতিক নেতা পৃথিবীর ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যায় না।
৪৫। দেশের স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি এবং ব্যক্তি মাত্রই জানেন যে, বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনে তাঁকে মোট ১৮ টি মামলায় আসামী শ্রেণিভূক্ত করা হয়েছে। এরই পাশাপাশি দুই দুইবার তাঁকে মৃত্যুর সম্মুখীন করা হয়েছে। উপরোক্ত বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট এবং ষড়যন্ত্রমূলক মামলা মোকদ্দমাসমূহ তিনি যথারীতি আইনানুগভাবেই মোকাবেলা করেছেন। প্রতিটি মামলার ব্যাপারেই তিনি আইন এবং সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রতি পূর্বাপর শ্রদ্ধাশীল থেকেছেন। এরই পাশাপাশি প্রতিটি মামলাই শক্তভাবে এবং আইনানুগভাবে মোকাবেলা করে একাধিক বিজ্ঞ আদালতের সুচিন্তিত রায়ের মাধ্যমে তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তাই আইন আদালতের প্রতি মনেপ্রাণে শ্রদ্ধাশীল থেকে আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন মামলা থেকে খালাস পাওয়ায় বাঙালির নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর নাম উজ্জ্বল, প্রজ্জ্বোল এবং দেদীপ্যমান। এহেন অবস্থায় অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং সঙ্গত কারণেই বলা যায় বাংলাদেশের আরেক নাম শেখ মুজিবুর রহমান।
৪৬। একথা সবাই অকপটে স্বীকার করেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের অকুতোভয় বীর বঙ্গবন্ধু। তিনি বাঙালির স্বাধিকার, স্বাধীনতা এবং জাতি সত্ত্বার অবিনশ্বর প্রতীক। আজ বাঙালির ইতিহাস লিখতে গেলেই লিখতে হয় তাঁর যশ ও কীর্তিগাঁথা। বাঙালির সংগ্রামের ধারাবাহিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ইতিহাস লিখতে গেলেই লিখতে হয় বঙ্গবন্ধুর গৌরবোজ্জ্বল অবদান ও বীরত্বগাঁথা। কেননা বাংলা এবং বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তিনি অম্লান, অবিনশ্বর এবং অপ্রতিরোধ্য এক কিংবদন্তি। ইতিহাস তাঁকে তৈরী করেনি। বরং তিনিই ইতিহাসের নির্মাতা এবং পথিকৃৎ। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসকে তিনি সমৃদ্ধ করেছেন এবং অনেক উচ্চ মর্যাদায় আসীন করেছেন। একথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে, বঙ্গবন্ধুর সমসাময়িক কালে কেউই তাঁর সমকক্ষ কিংবা তাঁর কোন বিকল্প ছিলেন না। বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে তাঁর মতো এমন ত্যাগী, নির্লোভ এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতা আর কেউই ছিলেন না। তাই নিঃস্বার্থ, পরোপকারী, লক্ষ্য ও আদর্শে অটল এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতার নাম স্মরণ করতে গেলে সবার আগে বঙ্গবন্ধুর নামই শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হয়।
৪৭। ইতিহাসের পাতা উল্টালে আমরা দেখতে পাই যে, দেশে দেশে অনেক নেতাই জন্মগ্রহণ করেন। তাদের কেউ ইতিহাসের একটি পংক্তি, কেউ একটি পাতা, কেউবা এক একটি অধ্যায়। কেউবা আবার সমগ্র ইতিহাস। কিন্তু একথা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত যে, বঙ্গবন্ধু মুজিব হচ্ছেন স্বাধীনতাকামী বাঙালির সমগ্র ইতিহাস। সারা বাংলার ইতিহাসে তিনিই একমাত্র নেতা যিনি মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে মৃত্যুঞ্জয়ী নেতার মতো সারা জীবন ধরে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, প্রত্যেক মা যেমন তার গর্ভজাত সন্তানকে সমস্ত বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করেন এবং বুকে আগলে রাখেন, ঠিক তেমনি মাতৃত্বের অনুভূতি দিয়ে বঙ্গবন্ধু ও এই বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ডটিকে বুকে ধারণ করেছেন এবং লালন করেছেন। আর এই ভূখণ্ডটির সামগ্রিক কল্যাণ এবং স্বার্থ সংরক্ষণের জন্যই তিনি বারবার অকুতোভয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়া করিয়েও তাঁকে তাঁর অভীষ্ট লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে সরানো যায়নি কিংবা বিচ্যুত করা যায়নি।
৪৮। বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি তথা বাঙালির স্বাধিকার ও মুক্তি এবং সামগ্রিক কল্যাণ – এই সমস্ত বিষয়গুলিকে বঙ্গবন্ধু তাঁর অস্থিমজ্জায় ধারণ করে নিয়েছিলেন। নিজের পরিবার পরিজন তথা স্ত্রী-পুত্র-কন্যাদের সুখস্বাচ্ছন্দ্যকে অকাতরে এবং অসংকোচে বিসর্জন দিয়ে দেশমাতৃকার সামগ্রিক মুক্তি এবং কল্যাণের জন্য তিনি নিজেকে সর্বাত্মকভাবে সমর্পণ করেছিলেন। আর তা করার মাধ্যমে সামগ্রিক রাজনীতিটাকেই তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাই সাংসারিক এবং পারিবারিক পরিমণ্ডলের সীমাবদ্ধতাকে অবলীলাক্রমে অতিক্রম করে দেশের আপামর গরিব দুঃখী অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য তিনি তাঁর নিজের জীবনটাকে উৎসর্গ করতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর শত্রু- মিত্র সবাই স্বীকার করেন তাঁর মতো নিঃস্বার্থ এবং জনহিতকর তথা উদার নৈতিক চিন্তা- চেতনা ও মনোভাবের পাশাপাশি তাঁর ঝঞ্চাবিক্ষুব্ধ এবং সংগ্রাম মুখর জীবন নিয়ে অদ্যাবধি যত সংখ্যক কবিতা ও গান রচিত হয়েছে এবং যত সংখ্যক বই প্রকাশিত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে সারা পৃথিবীর অন্য কোন নেতার নামে কিংবা স্মরণে তা হয়নি। যা সবিশেষ গুরুত্ব বহন করে বটে।
৪৯। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রথিতযশা কবি, সাহিত্যিক এবং ইতিহাসবিদেরা যেমন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভিন্ন গল্প-প্রবন্ধ-কবিতা এবং গবেষণাধর্মী বই পুস্তক রচনা করেছেন, ঠিক তেমনই বঙ্গবন্ধু নিজেও কারা প্রকোষ্ঠে অন্তরীণ থাকাবস্থায় অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন নামক গ্রন্থাবলী রচনা করে বাঙালির ইতিহাসকে সমৃদ্ধ এবং আলোকিত করেছেন। তাঁর রচিত উপরোক্ত বইগুলো আজ জাতির অমূল্য সম্পদ এবং সুখপাঠ্য বই হিসেবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার প্রশংসা কুড়িয়ে চলেছে। জাতির জনকের লেখা উপরোক্ত অসমাপ্ত আত্মজীবনী আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অত্যন্ত নির্মোহ, নিরপেক্ষ এবং নির্ভরযোগ্য শ্রেষ্ঠ ইতিহাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর আনুপূর্বিক বক্তব্যসমূহের আলোকে রচিত এবং ইতিহাস সমৃদ্ধ এই বইটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়ে একটি বহুল প্রচারিত এবং বহুল পঠিত বইয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। এরই পাশাপাশি সৎ ও পরিচ্ছন্ন এবং প্রতিশ্রুতিশীল রাজনীতিবিদদের জন্য এই বইটি এখন রাজনীতির বিশুদ্ধ ব্যাকরণ হিসেবে সমাদৃত হয়ে চলেছে।
৫০। আবহমান কাল ধরে বাঙালি জাতির অস্তিত্ব থাকলেও এর কোন আত্মপরিচয় ছিল না। জাতি হিসেবে কোন স্বীকৃতিও ছিল না। আর এই আত্মপরিচয়হীন জাতিকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, ১৯৭০ সনের ৯ই এপ্রিল বাগেরহাটের এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু বলেন- “… শুধু প্রধানমন্ত্রী কেন, সারা দুনিয়ার ঐশ্বর্য আর ক্ষমতা আমার পায়ের কাছে ঢেলে দিলেও আমি দেশের বিশেষ করে বাংলার বঞ্চিত মানুষের সাথে বেঈমানী করতে পারবো না [দ্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক, ১০ই এপ্রিল, ১৯৭০]।” ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় বঙ্গবন্ধু দেশ এবং জাতির সাথে কোন বেঈমানী কিংবা মিথ্যাচার করেননি। কিন্তু বেদনাদায়ক হলেও সত্য যে, আমাদের রক্তে এক ধরনের মিথ্যাচার, হীনমন্যতা, হিংস্রতা এবং অভব্য আচরণ মিশে আছে। স্বার্থের কাছে, লোভ লালসার কাছে এবং পদ ও পদবির লোভে আমাদের মধ্যে অনেকেই কেন যেন বিক্রি হয়ে যান। তাই আজীবন সংগ্রামী মহান মুজিবের অতুলনীয় আত্মত্যাগকে এখনো অনেকে খাটো করার কিংবা অস্বীকার করার চেষ্টা করে থাকেন। যা সত্যিই দুঃখজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক।
ড. মোঃ ফজলুর রহমান, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (অবঃ), লেখক ও কলামিস্ট
(চলবে)
বি রি/ইবিটাইমস/এম আর