বাধ্যতামূলক স্থানে FFP2 মাস্ক না পড়ায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আক্রমণ করলে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে
ইউরোপ ডেস্কঃ অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছে আজ রোববার ভিয়েনা রাজ্য পুলিশ অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান যে, গতকাল নতুন বছরের প্রথম দিনেই রাজধানী ভিয়েনার দুই জায়গায় মাস্ক না পড়ার ও কর্তব্যরত পুলিশের উপর আক্রমণ করায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভিয়েনা পুলিশ প্রশাসন জানান, যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বয়স যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৬ বছর।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী গতকাল ভিয়েনার ২ নাম্বার ডিস্ট্রিক্টের প্রাটারস্টার্ন মেট্রো রেশস্টেশনে ৩৩ বছর বছর বয়স্ক ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার জায়গাতে মাস্ক না পড়ায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশের উপর চড়াও হতে উদ্ধত হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আর ৪৬ বছর বয়স্ক দ্বিতীয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ভিয়েনার ১০ নাম্বার ডিস্ট্রিক্টের রয়ামানপ্লাসের মেট্রো রেলস্টেশন থেকে।একই অপরাধে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ব্যক্তি পুলিশের উপর পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ ধারণা করছে গ্রেফতারকৃত দুই ব্যক্তি অস্ট্রিয়ায় করোনার প্রতিষেধক টিকা ও বিধিনিষেধ বিরোধীদের দলের সাথে সম্পৃক্ত।
এদিকে আজ অস্ট্রিয়ায় নতুন করে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত হয়েছেন ৩,২৮৩ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ জন।রাজধানী ভিয়েনায় আজ নতুন করে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত হয়েছেন ৭৪৬ জন।
অন্যান্য ফেডারেল রাজ্যের মধ্যে Tirol রাজ্যে ৭১২ জন, NÖ রাজ্যে ৪৫০ জন, Salzburg রাজ্যে ৪১৭ জন, OÖ রাজ্যে ৩৮০ জন, Steiermark রাজ্যে ২০৩ জন, Vorarlberg রাজ্যে ১৭২ জন, Kärnten রাজ্যে ১৪৮ জন এবং Burgenland রাজ্যে ৫৫ জন নতুন করে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত হয়েছেন।
অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ সমগ্র অস্ট্রিয়াতে করোনার প্রতিষেধক টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৭৪ ডোজ এবং আজ করোনার প্রতিষেধক টিকার তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন ১,৪৬৬ জন।
অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত করোনার প্রতিষেধক টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন ৬৩,২৫,০৩১ জন,যা দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭০,৮ শতাংশ।
অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৮৫,৫১০ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩,৭৫২ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করেছেন মোট ১২,৩৮,৯১১ জন। বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩২,৮৪৭ জন।এর মধ্যে আইসিইউতে আছেন ৩২৫ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৯৭৩ জন। বাকীরা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন।
কবির আহমেদ /ইবিটাইমস