চরফ্যাসন ( ভোলা) : ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের চলমান প্রভাবের তৃতীয় দিনে চরপাতিলায় দূর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিকালে চরফ্যাসন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব খাবার বিতরণ করা হয়।
এসময় চিড়া, মুড়ি, গুড়, লবণ, দুধ, বিস্কিট, মোমবাতি ও খাবার স্যালাইনসহ বিভিন্ন শুকনো খাবার পানিবন্দি মানুষদের হাতে তুলে দেন চর কুকরি-মুকরি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন।
অস্বাভাবিক জোয়ার উঠানামায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে চরফ্যাসনের কুকরি-মুকরি ইউনিয়নের চরপাতিলা এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। মঙ্গলবার (২৫ মে) সকাল থেকে ঘর-বড়ি ডুবে যাওয়ায় কাল থেকে চুলা জ্বলনি তাদের। ফলে পানিবন্দি পরিবারগুলোতে দেখা দিয়েছে শুকনো খাবারের তীব্র সংকট।
আবুল হাসেম মহাজন বলেন, ঘূর্ণীঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের এর প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে কুকরি-মুকরি ও চর পাতিলায় ৪ থেকে ৫ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। মেঘনার পানির উত্তাল ঢেউ থাকায় প্রতিদিন পানি উঠানামা করছে। সেখানে প্রায় ৯ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দি পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ চলছে।
এ দিকে ঘৃর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আজ ২৭ মে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর, কলমী, নীল কমল, নুরাবাদ, রসুপুর ও কুকরী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করা হয়েছে।
এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন আখন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন, সহকারী কমিশনার( ভূমি) রিপন বিশ্বাস উপস্থিত থেকে এ সকল পরিবার কে শুকনো খাবার বিতরন করেছেন।
জামাল মোল্লা/ ইবি টাইমস