ভিয়েনা ০২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সঠিকভাবে ভোট দেয়া না হলে ভোট প্রদানের কারণে গুনার অংশ আমলনামায় জমা হয়- পীর সাহেব চরমোনাই সঠিকভাবে ভোট দেয়া না হলে গুনাহর অংশ আমলনামায় জমা হয় : পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে একটি দল দূর্নীতির অংশীদার হয়েছিল: চরমোনাই পীর সাফিয়া খানম বালিকা মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যু নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নির্দেশনা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নির্বাচন স্থগিতের গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান ইসির শৈলকুপায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ: বাধা দেওয়ায় যুবকদের মারধরের অভিযোগ টাঙ্গাইলে শহীদ জগলুর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বাংলা হবে আফগান আমরা হবো তালেবান এটা জামায়াতে ইসলামীর স্লোগান – মেজর হাফিজ

চেক প্রজাতন্ত্রে করোনা পরিস্থিতির অবনতি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১
  • ৪০ সময় দেখুন

জরুরী অবস্থা, শক্ত লকডাউনেও সংক্রমণ কমছে না

অন লাইন ডেস্কঃ অস্ট্রিয়ার জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা “Kronen Zeitung” তাদের অনলাইন প্রকাশনায় জানিয়েছেন যে, আমাদের প্রতিবেশী চেক প্রজাতন্ত্রে করোনার সংক্রমণের হার বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী পর্যায়ে রয়েছে। দেশটিতে গত ৭ দিনে প্রতি ১,০০,০০০ লক্ষ জনপদে সংক্রমণের হার গড়ে ৭৮০ জন। যেখানে অস্ট্রিয়ায় গত ৭ দিনে সংক্রমণের গড় প্রতি এক লাখ জনপদে ১৬০ জন। ইতিপূর্বে গত সপ্তাহেই চেক প্রজাতন্ত্র তার দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার খবর জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহের শেষের দিকে দেশটিতে পুনরায় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আইসিইউ বেডের রোগীর স্থানান্তরের সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। সম্ভবত চেক প্রজাতন্ত্রের বৃহত প্রতিবেশী জার্মানি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এদিকে চেক প্রজাতন্ত্রের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছেন,চেক প্রজাতন্ত্র এখনও তার করোনার সংক্রমণের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার ফলে চেকের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস ইতিমধ্যেই চালু থাকা লকডাউনে আরও কঠোরতা আরোপ করেছেন। দেশে পুনরায় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছেন। দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অপ্রয়োজনীয় দোকানগুলি বন্ধ ঘোষণা করেছেন। সর্বদা মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করেছেন এবং বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত এক জেলা থেকে অন্য জেলাতে লোকজনের চলাচল নিষিদ্ধ করেছেন।

জরুরী অবস্থা ঘোষণার পর সারা দেশে ২৬,০০০ হাজার পুলিশ এবং ৫,০০০ হাজার অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়োজিত পুলিশ ও সৈন্যেরা করোনার বিধিনিষেধ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন। চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের দ্বারা পূর্ণ হয়ে গেছে।

আজ বুধবার চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে,বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন মোট ৮,১২২ জন,  এর মধ্যে ১,৬৬১ জন ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছেন। এখন এই হাসপাতালে ভর্তি ও আইসিইউ এর অবস্থা এই মহামারীটির শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের তথ্যমতে,আজ দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত সনাক্ত হয়েছেন ১৬,৬৪২ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১০৭ জন।এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৬৯,০৫৮ জন এবং মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২০,৯৪১ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করেছেন মোট ১০,৯৩,৫৩৭ জন। চেকে বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫৮০ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে আছেন ১,৬৬১ জন।

কবির আহমেদ /ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

সঠিকভাবে ভোট দেয়া না হলে ভোট প্রদানের কারণে গুনার অংশ আমলনামায় জমা হয়- পীর সাহেব চরমোনাই

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চেক প্রজাতন্ত্রে করোনা পরিস্থিতির অবনতি

আপডেটের সময় ০৬:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

জরুরী অবস্থা, শক্ত লকডাউনেও সংক্রমণ কমছে না

অন লাইন ডেস্কঃ অস্ট্রিয়ার জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা “Kronen Zeitung” তাদের অনলাইন প্রকাশনায় জানিয়েছেন যে, আমাদের প্রতিবেশী চেক প্রজাতন্ত্রে করোনার সংক্রমণের হার বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী পর্যায়ে রয়েছে। দেশটিতে গত ৭ দিনে প্রতি ১,০০,০০০ লক্ষ জনপদে সংক্রমণের হার গড়ে ৭৮০ জন। যেখানে অস্ট্রিয়ায় গত ৭ দিনে সংক্রমণের গড় প্রতি এক লাখ জনপদে ১৬০ জন। ইতিপূর্বে গত সপ্তাহেই চেক প্রজাতন্ত্র তার দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার খবর জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহের শেষের দিকে দেশটিতে পুনরায় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আইসিইউ বেডের রোগীর স্থানান্তরের সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। সম্ভবত চেক প্রজাতন্ত্রের বৃহত প্রতিবেশী জার্মানি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এদিকে চেক প্রজাতন্ত্রের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছেন,চেক প্রজাতন্ত্র এখনও তার করোনার সংক্রমণের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার ফলে চেকের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস ইতিমধ্যেই চালু থাকা লকডাউনে আরও কঠোরতা আরোপ করেছেন। দেশে পুনরায় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছেন। দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অপ্রয়োজনীয় দোকানগুলি বন্ধ ঘোষণা করেছেন। সর্বদা মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করেছেন এবং বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত এক জেলা থেকে অন্য জেলাতে লোকজনের চলাচল নিষিদ্ধ করেছেন।

জরুরী অবস্থা ঘোষণার পর সারা দেশে ২৬,০০০ হাজার পুলিশ এবং ৫,০০০ হাজার অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়োজিত পুলিশ ও সৈন্যেরা করোনার বিধিনিষেধ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন। চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের দ্বারা পূর্ণ হয়ে গেছে।

আজ বুধবার চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে,বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন মোট ৮,১২২ জন,  এর মধ্যে ১,৬৬১ জন ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছেন। এখন এই হাসপাতালে ভর্তি ও আইসিইউ এর অবস্থা এই মহামারীটির শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

চেক প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের তথ্যমতে,আজ দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত সনাক্ত হয়েছেন ১৬,৬৪২ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১০৭ জন।এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৬৯,০৫৮ জন এবং মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২০,৯৪১ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করেছেন মোট ১০,৯৩,৫৩৭ জন। চেকে বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫৮০ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে আছেন ১,৬৬১ জন।

কবির আহমেদ /ইবি টাইমস