ভিয়েনা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথমে অস্বীকার জামায়াত এমপির, পরে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:১৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৮৯ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধীদল ও সরকার দলের রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্য ও এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিওকে ঘিরে।
ওই ভিডিওটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের। ২০ জুলাই রাত থেকে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য ও নারীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তের সিসিটিভি ফুটেজ ইন্টারনেটে ভাইরাল হতে শুরু করে। এরপর প্রথমে ভিডিওটিকে কৃত্রিম বা এআই প্রযুক্তিতে তৈরি করা বলে দাবি করা হয়।
তবে দেশের ফ্যাক্ট-চেক প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার তাদের কারিগরি অনুসন্ধানের পর জানিয়েছে, ভিডিওটি আসল এবং এতে কোনো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়নি।
এরপরই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান এবং জামায়াতের জেলা নেতারা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণীটি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। পারিবারিক সম্মতিতে এবং প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই তাদের এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে বয়সের ব্যবধানের কারণে বিষয়টি এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল।
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পারিবারিক বিরোধের জের এবং তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে এই সিসিটিভি ফুটেজটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লিক করা হয়েছে।
এদিকে ওই ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ওই তরুণী। ভিডিও বার্তায় জানান, চলতি বছরের ১৭ জুন পারিবারিক সম্মতিতে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার এবং তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।
একই দাবি করেন ওই তরুণীর বাবা। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই ওই ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
এদিকে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম ও ওই তরুণীর বিয়ে সঠিক বলে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তার প্রথম স্ত্রী মাকুসুদা ইসলাম। তিনি বলেন, তাদের বিয়ে হয়েছে। এ কুৎসা রটানো থেকে বিরত না থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ভিডিও ফাঁসের পেছনে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজের সময় অনুযায়ী, ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

প্রথমে অস্বীকার জামায়াত এমপির, পরে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি

আপডেটের সময় ০৩:১৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধীদল ও সরকার দলের রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্য ও এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিওকে ঘিরে।
ওই ভিডিওটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের। ২০ জুলাই রাত থেকে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য ও নারীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তের সিসিটিভি ফুটেজ ইন্টারনেটে ভাইরাল হতে শুরু করে। এরপর প্রথমে ভিডিওটিকে কৃত্রিম বা এআই প্রযুক্তিতে তৈরি করা বলে দাবি করা হয়।
তবে দেশের ফ্যাক্ট-চেক প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার তাদের কারিগরি অনুসন্ধানের পর জানিয়েছে, ভিডিওটি আসল এবং এতে কোনো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়নি।
এরপরই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান এবং জামায়াতের জেলা নেতারা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণীটি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। পারিবারিক সম্মতিতে এবং প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই তাদের এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে বয়সের ব্যবধানের কারণে বিষয়টি এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল।
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পারিবারিক বিরোধের জের এবং তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে এই সিসিটিভি ফুটেজটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লিক করা হয়েছে।
এদিকে ওই ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ওই তরুণী। ভিডিও বার্তায় জানান, চলতি বছরের ১৭ জুন পারিবারিক সম্মতিতে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার এবং তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।
একই দাবি করেন ওই তরুণীর বাবা। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই ওই ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
এদিকে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম ও ওই তরুণীর বিয়ে সঠিক বলে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তার প্রথম স্ত্রী মাকুসুদা ইসলাম। তিনি বলেন, তাদের বিয়ে হয়েছে। এ কুৎসা রটানো থেকে বিরত না থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ভিডিও ফাঁসের পেছনে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজের সময় অনুযায়ী, ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস